
মালদা ২৫ অক্টোবর : গত ৫০ বছরে প্রায় ৬ কিলোমিটার নিজের গতিপথ থেকে সরে এসেছে গঙ্গা। ভবিষ্যতে গঙ্গা ও ফুলহর নদী মিশে গেলে বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। ডুবে যেতে পারে বিস্তীর্ণ এলাকা। রবিবার আকাশপথে মালদার ভূতনি ও রতুয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা পরিদর্শনের পর এমনই আশঙ্কার কথা জানালেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল।

তিনি জানান, শুধু গঙ্গা নয়, ফুলহর ও কোশি নদীর পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখা হয়েছে। তাঁর কথায়, “আমি একা এই সমস্যার সমাধান করতে পারব না। আমরা পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসেছি। অর্থের কোনও সমস্যা নেই। ঝাড়খণ্ড ও বিহারের সঙ্গে সমন্বয় করে সকলের সম্মতিতে ভাঙন রোধের কাজ করা সম্ভব।” আগামী ২৭ তারিখে এ বিষয়ে দিল্লিতে একটি বৈঠকও রয়েছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর গঙ্গার ভাঙনে মালদার মানিকচকের ভূতনি, ইংলিশবাজার, রতুয়া এবং কালিয়াচক-৩ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নদীগর্ভে বিলীন হয় বসতভিটে ও চাষের জমি। এ বছরও বন্যা ও ভাঙনের জেরে বিপর্যস্ত হয়েছেন বহু মানুষ। গঙ্গার গতিপথ পরিবর্তন এবং ফুলহরের সঙ্গে সম্ভাব্য সংযোগের আশঙ্কায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থায়ী ভাঙন রোধে আন্তঃরাজ্য সমন্বয়ের উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে মালদার নদীপাড়ের বাসিন্দারা।