হরিশ্চন্দ্রপুরে পুলিশের বিজয়া সম্মেলনীতে বিরোধীরা ব্রাত্য! মঞ্চে বিজেপি সাংসদ-নেতারা, শুরু রাজনৈতিক তরজা

Spread the love
EXCLUSIVE: পুলিশের উদ্যোগে আয়োজিত বিজয়া সম্মেলনীর অনুষ্ঠানে মঞ্চ আলো করে বিজেপির জনপ্রতিনিধি থেকে বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব, ডাক পেলেন না বিরোধীরা, পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলে রাজনীতিকরনের অভিযোগে সরব বিরোধী শিবির, পাল্টা বিজেপি সাংসদ

মালদা , ২৯ অক্টোবর : রাজ্যে পালা বদলের পর মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী বিধায়ক সাংসদ সহ অন্যান্য জন-প্রতিনিধিদের ডাকলেও বিজয়া সম্মেলনীতে তে দেখা গেল উল্টো ছবি। পুলিশের উদ্যোগে আয়োজিত বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানে মঞ্চ আলো করে থাকলেন বিজেপির জন-প্রতিনিধি থেকে শুরু করে নেতারা। উপস্থিত ছিল এলাকার বিভিন্ন পুজো কমিটির উদ্যোক্তারা। কিন্তু ডাক পেলেন না বিরোধীরা। সরকারি অনুষ্ঠানে বিরোধী জন-প্রতিনিধিদের না ডাকা নিয়ে পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছে বিরোধী শিবির। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় পুলিশের উদ্যোগে অন্যান্য থানার মত বুধবার রাতে বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু সহ এলাকার বিভিন্ন স্তরের বিজেপি নেতৃত্ব।

হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভায় বিধায়ক পঞ্চায়েত সমিতি থেকে শুরু করে একাধিক বিরোধী জন-প্রতিনিধি রয়েছেন তাদের কাউকেই এদিন মঞ্চতে দেখা যায় নি। তৃণমূল আমলে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধীদের ডাকতেন না। সব কিছু থেকেই ব্রাত্য রাখা হতো বিরোধীদের। কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সকলকে সাথে নিয়ে চলার বার্তা দিয়ে ছিলেন।দল এবং সরকারকে আলাদা রাখার বার্তাও দিয়ে ছিলেন। তার প্রতিচ্ছবি দেখা গেছে জেলায় জেলায় বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠকে। কিন্তু হরিশ্চন্দ্রপুরে এদিনের ছবি ছিল উল্টো। বিরোধীদের অভিযোগ এই বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠান সম্প্রীতির মঞ্চ। কিন্তু তাদের না ডাকাতে খারাপ লেগেছে। পুলিশের অনুষ্ঠানে রাজনীতি করণ হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদের দাবি তৃণমূল আমলে পূজোর অনুদান অনুমোদন নিয়ে রাজনীতি হত। এই বছর সেটা বন্ধ হয়েছে। সকল পুজো কমিটিকে ডাকা হয়ে ছিল। সমগ্র ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *