
মালদা ৮ ডিসেম্বর : ১৯৬৬ সালের ৬ জানুয়ারি স্কুলের ভিত্তি স্থাপন । এরপর তিল তিল করে গড়ে উঠেছে ৩ বিঘার উপর আস্ত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যা এলাকার গর্ব। মালদা জেলা সদর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটারের দূরত্ব। ইংরেজবাজারের চন্ডিপুর বি আর এস উচ্চ বিদ্যালয় এখন স্বাবালক। ৬০ পেরিয়ে ৬১ – তে পা রাখবে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। মানবজাতির যখন অবসর জীবন তখন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আরো শিক্ষা বিস্তারের চ্যালেঞ্জ নিয়েছে। ১৯৬৭ সালের সরকারি অনুমোদন। ১৯৭১ জানুয়ারি জুনিয়র হাই স্কুলের অনুমোদন। ১৯৮৪ সালের ১৬ জুন দশম শ্রেণী পড়ানো অনুমতি। ২০০৬ সালের ২২ জুন একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর অনুমতি। ২০১৫ বিজ্ঞান বিভাগ চালু। ভোকেশনাল ২০২৩ সাল থেকে। এই হচ্ছে চন্ডিপুর বি আর এস উচ্চ বিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। সোমবার মালদা শহরের প্রেস কর্ণারে এক সাংবাদিক বৈঠক করেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। ছিলেন স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি, বীরেন কুমার দাস, প্রধান শিক্ষক সুদীপ্ত মিশ্র সহকারী প্রধান শিক্ষক নিখিল চন্দ্র পাল, সহ-শিক্ষিকা মহুয়া কুমার, সহ-শিক্ষক পূর্ণেন্দু নন্দী, পীযূষ রঞ্জন ঝা,ও স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকারা।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুদীপ্ত মিশ্র জানান আগামী ৬ জানুয়ারি হীরক জয়ন্তী বর্ষের শুভ সূচনা করা হবে তাছাড়াও থাকছে মানব পুতুল নাচ মালদার বিখ্যাত গম্ভীরা, মুর্শিদাবাদের বিখ্যাত লোকনৃত্য রায়বেশর নৃত্য। এছাড়াও সন্ধ্যায় থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়াও ৭ তারিখে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের রিইউনিয়নের একটি অনুষ্ঠানে রাখা হয়েছে। তাছাড়াও হীরক জয়ন্তী বর্ষ উপলক্ষে এই দিন স্কুল প্রাঙ্গনে একটি লাইব্রেরী ও স্টেজ উদ্বোধন করা হবে।
চন্ডিপুর বি আর এস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুদীপ্ত মিশ্র বলেন ২০২৬ জানুয়ারি মাসে ৬০ বছর পূর্ণ করবে। হীরক জয়ন্তী বর্ষ শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালে। ৭ জানুয়ারি পুনর্মিলন উৎসব হবে। প্রাক্তনীরা এই দিন অংশগ্রহণ করবে। বর্তমানে এই বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সংখ্যা ১৪৭১। ছাত্র ৭২০। ছাত্রী ৭৫১ । শিক্ষক ও শিক্ষিকা ২৪। ৩ জন প্যারা টিচার। ৩ জন ভোকেশনাল শিক্ষক। ৪ জন নন টিচিং। ইংরেজবাজার থানার অন্তর্গত চন্ডিপুর গ্ৰামে এই চন্ডিপুর বি আর এস উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্ষপূর্তি হীরক জয়ন্তী উৎসবে মেতে উঠবে গোটা এলাকা।

এমনটাই জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক সহ উদ্যোক্তারা। ৬ জানুয়ারি মশাল হাতে ৫ কিলোমিটার ম্যারাথন দিয়ে শুরু হবে উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান। নানা শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান , সঙ্গে নানা ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থাকছে নামিদামি শিল্পীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান । ৬ থেকে ৭ জানুয়ারি এই তিন দিন ধরে চলবে হীরক জয়ন্তী বর্ষ অনুষ্ঠান।