
মুর্শিদাবাদ, রেজিনগর:
বাবরি ধাঁচে মসজিদ তৈরির উদ্যোগ ঘিরে নতুন দাবি করলেন সাসপেন্ডেড বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তাঁর বক্তব্য, মসজিদ–কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য একাধিক সংস্থা থেকে বিপুল অর্থ সাহায্যের আশ্বাস পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি সংস্থা ৮০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
শিলান্যাসের পর সাংবাদিকদের সামনে হুমায়ুন বলেন,
“টাকার কোনও ঘাটতি হবে না। বিভিন্ন উৎস থেকে সাহায্য আসছে। এক সংস্থা ৮০ কোটি টাকা দিতে রাজি হয়েছে।”
কি হবে এই প্রকল্পে?
হুমায়ুনের পরিকল্পনা অনুযায়ী—
- মূল মসজিদ হবে প্রায় ৩ কাঠা জমিতে
- পুরো কমপ্লেক্স গড়ে উঠবে ২৫ বিঘা জমির ওপর
- থাকবে হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হোটেল ও হেলিপ্যাড
মোট প্রকল্প খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা।

রাজনৈতিক টানাপোড়েনও জোরদার
এই মসজিদ নির্মাণ উদ্যোগকে ঘিরেই তৃণমূল কংগ্রেস হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করেছে। দলের অভিযোগ— তিনি দলকে না জানিয়েই এমন বড় কর্মসূচি নিয়েছেন। তবে হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য,
“আমি মানুষের জন্য কাজ করছি। কেউ আটকাতে পারবে না।”
দাতার পরিচয় প্রকাশ নয়
৮০ কোটি টাকার যে সংস্থা সাহায্য করবে বলে দাবি করছেন হুমায়ুন, তার নাম বা পরিচয় তিনি প্রকাশ করেননি। এতে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।
খবর: বাবরি মসজিদ তহবিল — “SBI-লিমিট ক্রস” দাবি, অনুদান গ্রহণ কিছু সময় বন্ধ : সম্প্রতি, বেলডাঙায় “বাবরি মসজিদ–স্টাইল” মসজিদ ও কমপ্লেক্স নির্মাণের তহবিল সংগ্রহকে ঘিরে অভিনেতা দাবি করা হয়েছে যে — অনুদান জমা হতে রাখা একটি SBI ব্যাংকের একাউন্ট “এক দিনের permissible deposit limit” অতিক্রম করেছে।
অনুষ্ঠানকালীন উত্তেজনার মধ্যে, অনেক আড়ম্বরসহ bricks, নগদ অর্থ ও দান পড়েছিল। bricks ছাড়াও নগদ অর্থ সংগ্রহের জন্য একটি QR-কোডের সহায়তায় SBI-এর “West Bengal Islamic Foundation of India” নামের একাউন্ট প্রদর্শন করা হয়েছিল।
স্থানীয় একটি প্রতিবেদনে বলা হয় — দিনভর তহবিল বৃদ্ধির পর ব্যাংক দ্বারা জানানো হয়েছিল, ওই একাউন্ট-এ আর নতুন অনুদান নেওয়া যাবে না কারণ “deposit limit cross” হয়ে গেছে। এরপর আকস্মিকভাবে, সেই এক দিনের লিমিট ₹২০ লাখ বাড়ানো হয়েছে।
তারপরও, নগদ দান ধারাবাহিকভাবে চলেছে: উৎসাহী সমর্থকরা নিজেরা নগদ বা bricks নিয়ে মসজিদ নির্মাণের তহবিলে অংশ নিয়েছেন।