
মালদা , ৩১ মে : পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীকে ৩০ হাজার টাকা কাটমানি দেওয়ার পরেও মেলেনি সরকারি ঘর। ঘর না মেলায় টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে হুমকির মুখে উপভোক্তা। টাকা ফেরতের দাবিতে তৃণমূল পরিচালিত ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন বঞ্চিত উপভোক্তারা। মালদার চাঁচলের ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। অভিযোগ, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর পেতে তৃণমূল পরিচালিত ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত প্রধান আলো মহলদারের স্বামী রাজু মহলদার কে ৩০ হাজার টাকা কাঠ মানি দিয়েছিলেন মনোবারুল হক। কিন্তু টাকা দেওয়ার পরও মেলেনি ঘর। আর সরকার পরিবর্তনের পর সেই টাকা ফেরত চাইতেই হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে ওই উপভোক্তাকে। এই অভিযোগে তৃণমূল পরিচালিত ভগবানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী রাজু মহলদারের বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। শুধু মনবারুল নয় কয়েকশো উপভোক্তার কাছ থেকে ঘর দেওয়ার নাম করে মোটা অংকের কাটমানি তুলেছেন পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী।

কারও কাছ থেকে ৫ হাজার, কারও কাছ থেকে ১০ হাজার, আবার কারও কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। ঘর না মেলায় টাকা ফেরতের দাবি জানালে পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর হুমকির মুখে পড়ছেন উপভোক্তারা। শেষমেষ বাধ্য হয়ে প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় দারস্ত হয়েছেন তারা। যদিও নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত রকম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পঞ্চায়েত প্রধান আলো মহলদার ও তার স্বামী রাজু মহলদার। তাদের দাবি, চক্রান্ত করে তাদের ফাঁষানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। গরিব মানুষের টাকা যারা লুট করেছে তাদের স্থান জেলখানায়, উপভোক্তাদের বলব প্রত্যেকে নির্ভয় অভিযোগ করুন। আপনাদের পাশেই আছি। দাবি মালদা জেলা বিজেপি যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদকের।