
মালদা , ১৩ ফেব্রুয়ারি : উড়ালপুলের সার্ভিস রাস্তার জন্য জমি দিয়েছেন। টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রের সড়ক মন্ত্রালয়ও। তবুও এখনও জমি অধিগ্রহণের টাকা না মেলায় প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন হরিশ্চন্দ্রপুরের জমিদাতারা। জেলাশাসকের দফতরে জমি অধিগ্রহণের বকেয়ার টাকার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, সাতমাস ধরে প্রশাসনের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেও জমি অধিগ্রহণের টাকা মিলছে না। যদিও জমি অধিগ্রহণের জন্য গ্রামবাসীদের টাকা বিলির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, দাবি প্রশাসনের। জানা গেছে, জাতীয় সড়কের উদ্যোগে ২০২০ সালে হরিশ্চন্দ্রপুরের তুলসীহাট্টা-ভবানীপুরে উড়ালপুল তৈরি হয়।

উড়ালপুলটি ৬০০ মিটার লম্বা। উড়ালপুলের এক পাশের সার্ভিস রাস্তা তৈরি হলেও এখনও ২৫০ মিটার কাজ বাকি রয়েছে। সার্ভিস রাস্তার জন্য প্রায় ২২টি পরিবারের কাছে জমি নেওয়া হয়। এর জন্য শতকপিছু জমিদাতাদের সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে টাকা বরাদ্দ হলেও এখনও টাকা পাননি জমিদাতারা বলে অভিযোগ। অভিযোগ, মহাকুমাশাসকের দফতর থেকে ভূমি ও ভূমি সংস্কারে ঘুরেও টাকা মিলছে না। জাতীয় সড়কের মালদার এক্সজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার দীগন্ত কুণ্ডু বলেন, “জমি অধিগ্রহণ করে দফতরে হস্তান্তর হলেও সার্ভিস রাস্তার কাজ শুরু হবে। তবে জমি অধিগ্রহণের জন্য মন্ত্রক টাকা বরাদ্দ করে দিয়েছে। সার্ভিস রাস্তা তৈরি না হওয়ায় প্রায় পথ দুর্ঘটনা ঘটছে হরিশ্চন্দ্রপুরে।

এছাড়া জমি অধিগ্রহণ না করায় কোনও কাজ হচ্ছে না বলে দাবি করেন হরিশ্চন্দ্রপুরের মহেন্দ্রপুরের সামিউল হক। তিনি বলেন, “জাতীয় সড়ক জমি নিয়েছে। অথচ এখনও টাকা পায়নি। টাকা না পেয়ে বাড়ি ভেঙে অন্যত্র সরাতেও পারছি না। আমরা ঝুলে রয়েছি।”