
মালদা , ১০ ফেব্রুয়ারি : বিধানসভা ভোটের আগেই কংগ্রেস ও বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন ধরালো তৃণমূল। মালদার মালতী পুরে কংগ্রেস ও বিজেপি দুই দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন পাঁচ জন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। কংগ্রেসের দখলে থাকা মালদার মালাতিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কংগ্রেসের চারজন ও বিজেপির একজন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করেন। মঙ্গলবার সকালে রতুয়ার দলীয় কার্যালয়ে নবগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন মালতী পুর বিধানসভার বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি। ভয় ও অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে নিজেদের দলে টানছে তৃণমূল কটাক্ষ বিজেপি ও কংগ্রেসের।
জেলা তৃণমূল সভাপতির গড় মালদার মালতিপুর বিধানসভা। মালতি পুর গ্রাম পঞ্চায়েত মোট আসন সংখ্যা ২৮ টি। ২০২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল পায় ১১ টি, কংগ্রেসের দখলে আসে ৯ টি আসুন, বিজেপির দখলে আসে ৩টি ও সিপিআইএমের দখলে আসে ৫ টি। পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করে কংগ্রেস সিপিআইএম ও বিজেপি। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ত্রিশঙ্কু পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতে ভাঙ্গন ধরাল তৃণমূল। কংগ্রেসের চারজন ও বিজেপির একজন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য যোগদান করলেন তৃণমূলে। আজ তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিলেন জেলা তৃণমূল সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি। কংগ্রেস থেকে সদ্য তৃণমূলে যোগদানকারী সদস্য জাবির হোসেনের অভিযোগ,তিন বছরে কোন কাজ পাইনি। বাধ্য হয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করলাম। তৃণমূল বিধায়ক আব্দুর রহিম বকশি এলাকায় উন্নয়ন করছে, তার উন্নয়নের সামিল হলাম। আগামী দিনে মানুষের জন্য কাজ করব। মালতী পুরে মৌসম কোন ফ্যাক্টর নয়।

বিজেপি যোগদানকারী সদস্য রাধাকান্ত মন্ডলের অভিযোগ, এলাকায় কোন কাজ পাই না। পাঁচ বছর পর মানুষকে কি জবাব দিব। তাই বাধ্য হয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করলাম।
মৌসুম কংগ্রেসে ফিরতেই একের পর এক কংগ্রেসে ভাঙ্গন। আরো ভাঙ্গন ধরাবো। তৈরি থাকুন।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজ ও জনমুখী রাজনীতিতে আস্থা রেখেই তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন দাবি জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা মালতীপুর বিধানসভার বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সির।
তৃণমূলের এই যোগদান কে গুরুত্ব দিতে চাইছেন না কংগ্রেস ও বিজেপি। কংগ্রেস ও বিজেপির দাবি, মালদা জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের পায়ের মাটির সরে গেছে। তাই তারা ভয় দেখিয়ে অর্থের লোভ দেখিয়ে তৃণমূলে টানছেন।