
মালদা: গঙ্গা নদীর জলস্তর কমতেই মালদার ভূতনি এলাকায় শুরু হয়েছে ব্যাপক নদীভাঙন। কেশরপুর বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় আতঙ্কে বাঁধের উপর বসবাসকারী তিন শতাধিক পরিবার নিজেদের ঘরবাড়ি সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। তবে অন্যত্র যাওয়ার মতো জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে বাঁধের নিচে অসংরক্ষিত এলাকাতেই আশ্রয় নিচ্ছেন বহু পরিবার। ভাঙন কবলিত কেশরপুর এলাকা পরিদর্শনে যান মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মন্ডল, বিডিও সৌরভ কুমার মন্ডল এবং সদর মহকুমা শাসক-সহ প্রশাসন ও সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা। এদিন কেশরপুর ছাড়াও কালুটনটোলা ও পশ্চিম রতনপুর এলাকাতেও নদীভাঙনের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তাঁরা। পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখে বাঁধে বসবাসকারী পরিবারগুলির অন্যত্র থাকার ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনকে উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশ দেন বিধায়ক। পাশাপাশি সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাঁধ মেরামতির কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ভূতনি এলাকায় যাতে কোনওভাবেই গঙ্গার জল ঢুকে পড়তে না পারে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য সেচ দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, জরুরি পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বিকল্প হিসেবে একটি অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূল বাঁধ কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা ভেঙে গেলে যাতে ওই অস্থায়ী বাঁধ জল আটকাতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানা গেছে।