
মালদা , ১৯ নভেম্বর : মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দের নীল সাদা রঙ। কিন্তু সেই জায়গায় যদি গেরুয়া রঙ হয়? তবে শাসক তৃণমূলের তো রাগ হওয়ারই কথা। আর যতই হোক তাদের জুজুধান শিবিরের কাছে রাজনীতির হাতিয়ার এখন যে সেই গেরুয়া রং। তাই এবার কংগ্রেস সিপিএম বিজেপি মহাজোট পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতে ভবনের ভেতরে গেরুয়া রং করা হতেই আপত্তি জানিয়েছে তৃণমূল। যদিও এই আপত্তি মানতে নারাজ কংগ্রেস।অন্যদিকে কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। রঙ নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েত। ১৯ আসন বিশিষ্ট এই পঞ্চায়েতে কংগ্রেসের দখলে রয়েছে ৬ টি আসন, সিপিএমের ঝুলিতে ৪ টি, আর বিজেপির ৩ টি আসন। মোট ১৩ টি আসন নিয়ে ক্ষমতায় রয়েছে মহাজোট। অন্যদিকে ৬ টি আসন নিয়ে বিরোধী আসনে রাজ্যের শাসক দল।ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তরের বাইরে রয়েছে নীল সাদা রঙ। কিন্তু সম্প্রতি পঞ্চায়েত ভবনের ভেতরের দেওয়াল গেরুয়া রঙে রেঙে উঠেছে।সেখানেই আপত্তি তৃণমূলের।তৃণমূলের অভিযোগ এখানে রঙের রাজনীতি হচ্ছে।রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা মানা হচ্ছে না।কংগ্রেস বিজেপি ভাইভাই সেটা প্রমাণ হচ্ছে। প্রশাসনকে অভিযোগ জানাচ্ছে তৃণমূল।উঠছে রঙ পরিবর্তনের দাবি। কিন্তু কংগ্রেসে এর পেছনে রাজনীতি দেখতে নারাজ। পঞ্চায়েত সূত্রে খবর ভবন সুসজ্জিত করার জন্য কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে সাত লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে। সাথে পঞ্চায়েতের নিজস্ব তহবিলের টাকা দিয়ে ভবন সুসজ্জিত করা হচ্ছে।

বাইরে নীল সাদা করা হয়েছে। ভেতরের রঙ পছন্দ করার জন্য তৃণমূল সদস্যদেরও বারবার বলা হয়েছে।কিন্তু তারা যায়নি।এখানে রাজনীতির বিষয় নেই। তৃণমূল অযথা রাজনীতি করছে। এদিকে তৃণমূলের অভিযোগ সামনে আসতেই বিজেপির কটাক্ষ,’ গেরুয়া ত্যাগের প্রতীক।চোর তৃণমূল তাই গেরুয়া রঙ দেখলেই ভয় পাচ্ছে।’ সব মিলিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুরের ভিঙ্গলে রং দিয়েই যেনো চেনা হচ্ছে রাজনীতি।
হরিশ্চন্দ্রপুরের ভিঙ্গল পঞ্চায়েতে | হরিশ্চন্দ্রপুরের ভিঙ্গল পঞ্চায়েতে