
মালদা ১৫ জুন : সরকার পরিবর্তন হতেই সঙ্কটে মালদা জেলা পরিষদ। সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ ও সহকারী সভাধিপতি এ টি এম রফিকুল হোসেনের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে ডিভিশনাল কমিশনারের কাছে চিঠি দিলেন তৃনমূলের ১৭ জন সদস্য। বর্তমানে মালদা জেলা পরিষদে মোট ৪৩ জনের মধ্যে তৃনমূল সদস্য সংখ্যা ৩৪। বাকি ৯ জনের মধ্যে ৪ জন বিজেপির ৫ জন কংগ্রেসের। জেলা পরিষদের মেয়াদ এখনও দুই বছর। তার আগেই ভাঙতে চলেছে তৃনমূলের হাতে থাকা মালদা জেলা পরিষদ। তবে বিক্ষুব্ধরা জানিয়েছেন তৃনমূলের ( মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন) সাথে থাকবেন তারা। এ বিষয়ে জেলা ও রাজ্যে নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা হয়েছে। বিক্ষুব্ধ তৃনমূল সদস্যরা বলেন বর্তমান জেলা পরিষদ নেতৃত্বের কাজে সন্তুষ্ট নয়। একতরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে সব কিছুই। শুরু থেকেই সমন্বয়ের অভাব এবং সদস্যদের কোন গুরুত্ব না দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ এনেছেন বিক্ষুব্ধ ১৭ জন সদস্য। উল্লেখ্য রাজ্যে পালা বদল হতেই মালদা জেলা পরিষদে কাজকর্ম থমকে গেছে। কেউ আসছেনা । যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর গলাতেই এমন সুর শোনা গিয়েছে।

মালদায় প্রশাসনিক বৈঠক করতে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মালদা জেলা পরিষদ নিয়ে বলেছিলেন, “সভাধিপতি আসছেন না, সহকারী সভাধিপতিও আসছেন না। জেলা পরিষদে কেউ যাচ্ছেন না” এমন খবর পাচ্ছি। সেক্ষেত্রে প্রশাসন কি করবে সেটা নির্দেশ দিয়ে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন প্রশাসনিক আধিকারিককে দেখতে হবে। এদিকে মালদা জেলা পরিষদের উদ্ভুত পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিজেপির দক্ষিণের জেলা সভাপতি অজয় গাঙ্গুলি। তিনি বলেন এটা হবার ছিল। নিজেরা নিজেদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। সবই ভাগবাটোয়ারা। এতদিন চুপ ছিল। সরকার বদল হতেই ফোঁস করছে। তাহলে এতদিন কেন প্রতিবাদ করিসনি। তবে বিজেপি এসব নিয়ে ভাবছে না। প্রশাসন এবিষয়ে পদক্ষেপ নেবে। পঞ্চায়েতে যা নিয়ম আছে। সেটাই নেবে প্রশাসন।