
মালদা , ৫ জানুয়ারি : ঘরে বন্ধ করে লোহার রড দিয়ে শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় উত্তাল মন্ত্রীর গড়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের পরও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি কেউ। তার প্রতিবাদ অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ পড়ুয়া, অভিভাবক থেকে শুরু করে এলাকার মানুষের। মূল অভিযুক্ত প্রাক্তন টিআইসি মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ। বিধায়ক তথা মন্ত্রী কে নিশানা বিজেপির। সাফাই তৃণমূলের। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের ডাহুয়া এলাকায় ভালুকা তুলসীহাটাগামী রাজ্য সড়ক অবরোধ করে এই বিক্ষোভের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মারধর করা হয় তালগাছি হাই মাদ্রাসার টিআইসি মহম্মদ হেবজুর রহমান ও সহকারী শিক্ষক আবজাল হোসেনকে। অভিযোগ উঠেছে, মাদ্রাসার প্রাক্তন টিআইসি মহম্মদ আবুজার ও হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি মনিরুল ইসলামের দাদা আনারুল আলম সহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে।এই মুহূর্তে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের হলেও অভিযুক্ত অধরা। তারা পলাতক বলে জানা যাচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে এত বড় ঘটনার পরেও কেন অভিযুক্তদের ধরতে গড়িমসি করছে পুলিশ।মূল অভিযুক্ত প্রাক্তন টিআইসি তৃণমূল এবং মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ। অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছে আবার তৃণমূল নেতার দাদা।সেই কারণেই তারা রেয়াত পেয়ে যাচ্ছে বলে সুর চড়িয়েছে গেরুয়া শিবির। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূল। মন্ত্রীর গড়ে শিক্ষক নিগ্রহ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিড ডে মিলের হিসাব ও মাদ্রাসার অন্যান্য ফান্ডের টাকা নয়ছয় করার অভিযোগে গত ১৩ ডিসেম্বর আবুজার কে সরিয়ে নতুন টিআইসি করা হয় হেবজুর কে। স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক ও অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের সর্ব সম্মতিক্রমে তাকে টিআইসির দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু প্রাক্তন টিআইসি সেটা মানতে পারেন নি।তাই নতুন টিআইসি কে সঠিক ভাবে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছিল না প্রথম থেকে।তারপর গতকাল ঘরে ঢুকে লোহার রোড দিয়ে মেরে দুই হাত ভেঙে দেওয়া হয়। এক সহশিক্ষক বাঁচাতে গেলে তারও মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়।