ভুতনীতে ত্রাণ নিয়ে মন্ত্রী, বিধায়ক

Spread the love

মালদা , ৭ সেপ্টেম্বর : বাঁধ ভেঙে প্লাবিত ৬৩টি গ্রামের প্রায় ৭০ হাজার মানুষ। ভিটে মাটি হারিয়ে কার্যত দিসে হারা গৃহহীন গ্রামের বাসিন্দারা। আর এই পরিস্থিতিতে মানিকচকের বিধায়ক গৌড় চন্দ্র মন্ডল ও রাজ্যের সেচ ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী জয়েল মুর্মেকে পরিস্থিতির দিকে নজার রাখার নির্দেশ। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশে আরও দুই মন্ত্রী বন্যা কবলিত কেশরপুর এলাকা পরিদর্শন করেন। ভুতনীতে ত্রাণ


প্রসঙ্গত,মানিকচকের ২০ মিটার বাঁধ ভেঙে গিয়ে মালদার মানিকচকের কেশরপুর, কালোটোন টোলার হু হু করে জল ডুকছে ভূতনিতে। ইতিমধ্যে দুর্লভপুর ও ভবনটোলা এলাকায় জলমগ্ন হয়েছে। ৬৩টি গ্রামের ৭০ হাজার গ্রামের বাসিন্দা জলবন্দি হয়ে পরে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেক গ্রামবাসীদের উঁচু স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পরিদর্শনে আসেন অনগ্রসর কল্যাণ ও গ্রন্থাগার মন্ত্রী গৌরী শংকর ঘোষ, সেচ ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু, আইন ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী বিরাজ বিশ্বাস ও মানিকচকের বিধায়ক গৌরচন্দ্র মন্ডল। এর আগের জেলাশাসক ও সচিব নীতিন সিংহানিয়া, জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপড় ও পুলিশ সুপার অনুপম সিং,সুরেন্দ্র কুমার মিনা সচিব জাতীয় মোকাবেলা বিপর্যয় দপ্তরের আধিকারিকেরা। এদিন কেশরপুর এলাকায় ত্রান সামগ্রী দেওয়া হয়েছে ৫০০ পরিবারের হাতে।
স্থানীয় বাসিন্দা সমর মন্ডলের অভিযোগ প্রতিবছর একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পর্যাপ্ত ত্রান পাওয়া যায় না। প্রশাসন নির্বিকার। ফলে আমাদের ডুবতে হয়। আমরা সরকারের কাছে আবেদন করছি যাতে এর স্থায়ী সমাধান সরকার করুক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *