
মালদা , ১৮ নভেম্বর : ডগ স্কোয়াড তল্লাশি চালিয়ে চলে যাওয়ার পর প্রায় আধ ঘন্টা পরেই গ্রামের এক জলাশয় থেকে উদ্ধার হল ছোট্ট ঋষিকার নিথর দেহ। পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর পাঁচ বছরের ঋষিকার নিথর দেহ জলাশয় থেকে উদ্ধারের ঘটনায় মঙ্গলবার তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল মালদার মোথাবাড়ি থানার উত্তর লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের লীলারামটোলা এলাকায়। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার লীলারামটোলার বাসীন্দা, পেশায় কৃষক মনোজ মন্ডলের পাঁচ বছরের শিশুকন্যা ঋষিকা মন্ডল জমি থেকে বাড়ি ফেরার সময় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারবর্গ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোন হদিশ না পাওয়ায় ওইদিনই মোথাবাড়ি থানায় মিসিং ডায়েরী করেন। ডায়েরী পাওয়ার দিন, থেকেই পুলিশ যথেষ্টই তৎপরতার সঙ্গে ঘটনার তদন্ত শুরু করে।

পরপর দুদিন লীলারামটোলা গ্রাম সহ আশপাশের সমস্ত এলাকায় কার্যত চিরুনি তল্লাশি চালায়। কিন্তু ছোট্ট ঋষিকার কোন হদিশ মেলেনি। স্বভাবতই চরম দুশ্চিন্তায় পড়েন পরিবারবর্গ। এই পরিস্থিতিতে ছোট্ট ঋষিকার হদিশ পেতে মঙ্গলবার সাত সকালেই লীলারামটোলায় পৌঁছে যায় পুলিশের ডগ স্কোয়াড। মুর্শিদাবাদ থেকে ডগ স্কোয়াডের টিম এনে মোথাবাড়ি থানার পুলিশ এলাকার আনাচে-কানাচে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। নিখোঁজ শিশুর গ্রাম সহ আশপাশের সমস্ত জমি, বাগান, পুকুর পাড় সহ বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায়। কিন্তু তল্লাশিতে নিখোঁজ শিশুকন্যার কোন হদিশ না পেয়ে গড স্কোয়াড চলে যায়। আর ডগ স্কোয়াড চলে যাওয়ার আধ ঘন্টা পরেই লীলারামটোলার এক জলাশয়ে ছোট্ট ঋষিকার নিথর দেহ ভাসতে দেখেন গ্রামবাসীরা। যাকে কেন্দ্র করে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। তবে জলে ডুবে মৃত্যু, নাকি খুন তা এখনও স্পষ্ট নয়।

গ্রামবাসীদের অনুমান ছোট শিশুকন্যাকে কেউ বা কারা খুন করেছে। তবে সঠিক কী ঘটনা ঘটেছে, কীভাবে ছোট্ট মেয়েটির মৃত্যু হল তা খতিয়ে দেখতে মোথাবাড়ি থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন, দেহে কোন আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। হেড লাইন
জলাশয় থেকে উদ্ধার | জলাশয় থেকে উদ্ধার | জলাশয় থেকে উদ্ধার