
মালদা , ২৪ ডিসেম্বর : সব থেকে বড় ওয়াকফ চোর ফিরহাদ হাকিম। অভিষেক ব্যানার্জির ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস ওয়াকফের জমিতে। তাই মমতা কেন্দ্রের ওয়াকফ আইন মেনে নিয়েছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাতে কর্মীসভায় প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে এই ভাবেই তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর। মালদার চাঁচল বিধানসভার ভেবাতে কর্মী সভা করে আইএসএফ। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নওশাদ। সম্পূর্ণ বক্তব্যতেই তিনি কার্যত তুলোধনা করেন রাজ্য সরকারকে। কোলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ কে তোপ দেগে নওশাদের অভিযোগ মুসলমানদের মশিহা সেজে সব থেকে বেশি ওয়াকফ সম্পত্তি ফিরহাদ হাকিম দখল করে রেখেছেন। এমনকি ক্যামাক স্ট্রিটে যে অফিসে অভিষেক ব্যানার্জি বসেন।সেটাও ওয়াকফ সম্পত্তির উপর। রাজ্য সরকারকে নিশানা করে তিনি বলেন যদি তিনি মিথ্যা কথা বলে থাকেন তবে রাজ্য সরকার মামলা করুক। এমনিতেও কুড়িটি মামলা দেওয়া হয়েছে তাকে।

আর আইএসএফ বিধায়কের এই বক্তব্য সামনে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের দাবী বিভাজনের রাজনীতি করে বিজেপিকে এইসব দল অক্সিজেন দিচ্ছে। বাংলার মানুষ সবই বোঝে। যদিও তৃণমূল মুখে দাবী করলেও মালদার মত জেলায় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত চাঁচল বিধানসভায় নির্বাচনের প্রাক্কালে মিম, আইএসএফের মত দলের উত্থান যে তাদের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তা বলা বাহুল্য।