বি এল ও-র দায়িত্বে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। কমিশনের দ্বারস্থ সিপিএম। স্কুল শিক্ষক হিসেবেই দায়িত্ব পেয়েছি।

Spread the love
বি এল ও-র দায়িত্বে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। কমিশনের দ্বারস্থ সিপিএম। স্কুল শিক্ষক হিসেবেই দায়িত্ব পেয়েছি। ১৫ বছর ধরে নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করি। পাল্টা দাবি বিএল ও তথা পঞ্চায়েত সদস্যের।

মালদা ৩০ অক্টোবর : বি এল ওর দায়িত্ব পেয়েছেন তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য! নিজের বুথেই বিএলও-র দায়িত্বে পেশায় প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক। ঘটনায় হইচই মানিকচকে। অবিলম্বে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য ওই বিএলও-কে সরানোর দাবি সিপিএমের। মালদার মানিকচকের ১৫৬ নম্বর এনায়েতপুর বুথের ঘটনা। যদিও বিএলও-র দায়িত্বপ্রাপ্ত গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য মতিউল আনসারীর দাবি, ২০১০ সাল থেকে ওই বুথের বিএলও-র দায়িত্বে তিনি। সে সময় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন না। নিরপেক্ষতার সঙ্গেই নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে প্রশাসন ইচ্ছা করলে সরাতেই পারে।

মানিকচকের এনায়েতপুর ই এ হাইস্কুল অ্যাটাচ ১৫৬ নম্বর বুথে বিএলও দায়িত্বে রয়েছেন মতিউল আনসারী। যিনি ওই বুথেরই নির্বাচিত তৃণমূল গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। পেশায় প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নিজের বুথে বিএলও হিসেবে। আর এখানেই আপত্তি বিরোধীদের। এনিয়ে আপত্তি জানিয়ে আজ মানিকচকের বিডিও-র কাছে লিখিত অভিযোগ পত্র দিয়েছে সিপিএম। মতিউল দায়িত্বে থাকলে এসআইআর এর কাজ নিরপেক্ষ হবে না বলে আশঙ্কা। অবিলম্বে তাঁকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি তোলা হয়েছে সিপিএমের তরফে।

এদিকে মতিউলের দাবি, শুধু এবার নয়। ২০১০ সাল থেকেই তিনি এই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। সে সময় জনপ্রতিনিধি ছিলেন না। তাছাড়া এপর্যন্ত নিজের দায়িত্ব নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গেই পালন করেছেন। এবারও বিএলও হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। এই দায়িত্ব নতুন কিছু নয়। তবে, প্রশাসন চাইলে বদল করতেই পারে।

মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূল নেত্রী পিংকি মন্ডল বলেন, ভোটের কাজে কারা বি এল ও দায়িত্বে থাকবেন এসব ব্লক প্রশাসন দেখভাল করে। বিষয়টি অরাজনৈতিক। বিষয়টি প্রশাসন দেখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *